
গত ১০ই আগস্ট ২০২৫ইং রবিবার বিকেল আনুমানিক ৫টা ৪৫ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার চান্দিনা পৌরসভার হারং ২নং ওয়ার্ডের সানারপাড় স্বপ্নভিলা মরহুম আব্দুল খালেক ভূঁইয়ার ছেলে জসীম ভূঁইয়ার বাসা বাড়িতে, ইহান এগ্রো ফুড এন্ড বেভারেজ নামে একটি অবৈধ এনার্জি ড্রিংক কারখানা পরিচালনা কর আসছে হাসান গাজী। কারখানাটিতে প্রতিনিয়ত অবৈধ ও ভেজাল কোমল পানীয় উৎপাদন করা হচ্ছে।
উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে মেজর বরকতুল্লাহ আহমদ মাহমুদুর রহমান চান্দিনা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আর নূর এর নেতৃত্বে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে কারখানা থেকে ৫,০০০ বোতল অবৈধ কোমল পানি, ৫,০০০ বোতল ভেজাল লাচ্ছি, ৫,০০০ বোতল ভেজাল ফ্রুটু, ৪,০০০ বোতল ভেজাল জিনসিং, ৩,০০০ বোতল ভেজাল ড্রিংকো, ২০ ঘন চিনি, ২০ কেজি রাসায়নিক রঙ, ১০ কেজি মিশ্রি, ২০ কেজি সেকারিন, ৩০ কেজি লিকুইড জেলি এবং ২টি মেশিন উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জব্দকৃত সব ভেজাল পণ্য ঘটনাস্থলেই বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় ইহান এগ্রো ফুড এন্ড বেভারেজ-এর মালিক হাসান গাজীর দুই সহযোগী আলাউদ্দিন ও খাইরুল ইসলামকে হাতেনাতে আটক করে তাদেরকে চান্দিনা থানায় পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়। হাসান গাজী পলাতক তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, হাসান গাজী প্রায় তিন বছর ধরে এই অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। হাসান গাজী চান্দিনা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড মহারং গ্রামের কানু মিয়ার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভেজাল পানীয় উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিলেন তিনি।
এ ঘটনায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, ভেজাল ও অবৈধ পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।