
চান্দিনা কাদুটি বাজারে মাদক সেবনকারী কিবরিয়ার আঘাতে হাত ভাঙল শাহ পরান নামের এক যুবকের
কুমিল্লা চান্দিনা থানাধীন বরকড়ই ইউনিয়ন কাদুটি বাজারে গত ২৩শে জুলাই সন্ধ্যা আনুমানিক ৬ঃ০০ ঘটিকার সময়।শাহ পরাণ, পিতা মৃত আব্দুর রাজ্জাক, গ্রাম- কাদুটি মোহাম্মদপুর লোনা, থানা- বরুড়া। শাহ পরাণ নামে এক টাইলস মিস্ত্রিকে হত্যার উদ্দেশ্যে কিছু মাদক সেবনকারী আক্রমণ করে,
গোলাম কিবরিয়া, পিতা শামসুল হুদা, মাতা শামসুন্নাহার, গ্রাম মোহাম্মদপুর লোনা, বরুড়া। শুক্কুর আলী, পিতা মৃত আব্দুল হামিদ, বাবুল, পিতা সাহেব আলী। মোহাম্মদ, পিতা আনু মিয়া সর্বসাং কাদুটি উত্তরপাড়া, বরকড়ই ইউনিয়ন, থানা- চান্দিনা, জেলা- কুমিল্লা।
শাহ পরাণ সমাজের সচেতন মহলের সহিত ঐক্যবদ্ধভাবে দীর্ঘদিন যাবত সমাজসেবা করিয়া আসিতেছে, জুলাই আন্দোলনের পরবর্তীতে বাংলাদেশ নতুনভাবে মাদক বিরুদ্ধে প্রশাসন সহ স্থানীয় সচেতন মহল সোচ্চার হয়ে ওঠেন। এর ফলে বরুড়া থানাধীন শাহ পরানের নিজ গ্রাম মোহাম্মদপুর লোনা সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার মাদকবিরোধী বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণা করিতে থাকে। মাদক সেবনকারীর লিডার গোলাম কিবরিয়া শাহ পরান কে মোবাইলে হুমকি ধামকি দেয়। শাহ পরান উক্ত বিষয়টি গ্রামের সচেতন মহল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে অবহিত করিয়া মীমাংসার চেষ্টা করিলে, গোলাম কিবরিয়া ও তার সহযোগীরা আমাকে দেখে নেবে বলে হুমকি-ধমকি প্রদান করে।
ঘটনার দিন গত ২৩ শে জুলাই সন্ধ্যা ৬ঃ০০ ঘটিকার সময় কাদুটি বাজারে, বাজার খরচ করিবার জন্য যাওয়ার পথে বাজারের পূর্ব পথে অবস্থান করা গোলাম কিবরিয়া, শুকুর আলী, বাবুল, মোহাম্মদ সহ রাস্তা প্রতিরোধ করে আমার টি-শার্টের কলারে চেপে ধরে অকথ্য গালিগালাজ চড় থাপ্পড় কিল-ঘুসি ও রাস্তায় ফেলে লাথি, বুকে ও গলায় পা চাপা দিয়ে হত্যার চেষ্টা করে, এবং কাঠ দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে। এতে করে আমার মাথা মুখে পিঠে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে লীলা ফুলা জখন করে। বাম হাত ও আঙ্গুল হাড়ভাঙ্গা যখম হয়। ঘটনার সময় আমার চিৎকার শুনিয়া আশেপাশের লোকজন জড়ো হয়ে আমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
এই বিষয়ে শাহ পরান বাদী হয়ে যেহেতু ঘটনা ঘটেছে চান্দিনা থানায়, তাই চান্দিনা থানায় অভিযোগ করে। এই বিষয়ে বিবাদী গোলাম কিবরিয়ার মোবাইলে একাধিক বার কল করে পাওয়া যায়নি।
এই বিষয়ে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ জাবেদ-উল ইসলাম বলেন মামলা তদন্তধীন আছে।